বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন নিয়ে মিডিয়াতে বিস্তর আলোচনা চলছে। দেশের বরেন্য বুদ্ধিজীবি রাজনীতিবিদরা সংবিধানকে নানা ভাবে জোরা তালি দিয়ে বিভিন্ন চেতনার পক্ষে বিপক্ষে নিয়ে যাওয়ার টানাটানি খেলায় ব্যস্ত। সংসদ ও আদালত নিজ নিজ ক্ষমতা জাহির করে পরস্পর বিরোধী অবস্থান নিয়ে দেশকে এক মহা সাংবিধানিক সংকটে ফেলে দিয়েছে। সংবিধান সংশোধনী নিয়ে গঠিত সংসদীয় কমেটি নানা মণি ঋষিদের সাথে শলা পরামর্শ করে সংশোধনের একটি চুড়ান্ত প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এক পাক্ষিক সংসদে তা হয়তো নির্দ্বিধায় পাস হয়ে যাবে। অন্যপক্ষ সেটাকে না মেনে কঠোর কর্মসূচির আন্দোলনে রাজপথ গরম রাখবে। ভোগান্তি বাড়বে জনগনের। বেচারা জনগন! তিন দশকের বেশি সময় ধরে আওয়ামী-বি এন পি’র টম অ্যান্ড জেরির তামাশার রাজনীতিতে চেতনা খুঁজতে খুঁজতে চৈতন্য হারাতে বসেছে। সরকারি দল বলে এটা করা যাবে না এটা অসাংবিধানিক, ওটা করা যাবে না ওটা আইনের শাসন পরিপন্থি। অন্যদিকে বিরোধী দল বলবে এটা মানতে হবে এটা জনগনের দাবি ওটা করতে হবে নইলে স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব সব বিপন্ন হবে। এই যে স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনীতি, হানাহানি, প্রতিহিংসা যা আমাদেরকে সামান্য ইস্যুতে বিভক্ত করে ক্রমাগত দূর্বল থেকে দূর্বলতর করছে। দিন দিন ব্যর্থতার অতল গহীনে হারিয়ে যাচ্ছি আমরা। সংবিধান সংশোধন করে কি এই দূর্ভোগ ও দূর্দশা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব?